বাংলা ভাষার কোন রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী ?
-
ক
সাধু রীতি
-
খ
চলিত রীতি
-
গ
কথ্য রীতি
-
ঘ
লেখ্য রীতি
সাধু ভাষা হলো বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ। এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত। সাধু ভাষা অনেকটা ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যের এবং চলিত ভাষা অপেক্ষা স্বল্প প্রাঞ্জল। "সাধু" শব্দের এক অর্থ শিষ্ট, মার্জিত বা ভদ্ররীতি সঙ্গত। রাজা রামমোহন রায় তাঁর "বেদান্ত গ্রন্থ" রচনাটিতে শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।[১] সাধু ভাষার সঙ্গে প্রমিত বা চলিত ভাষার মিশ্রণকে দূষণীয় গণ্য করা হয়। লেখার সময় যেকোনো একটি রীতিকে গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। নচেৎ একে "গুরুচণ্ডালী" দোষে দুষ্ট আখ্যা দেওয়া হয়। তবে কবিতার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা যায়।
উনিশ শতকরে শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসাবে চালু করে।
সাধু রীতির ব্যবহার -
১/প্রাচীন কালের অনেক সাহিত্য।
Related Question
View All-
ক
আজ
-
খ
মিনতি
-
গ
জল
-
ঘ
জোসনা
-
ক
বিশেষ্য
-
খ
সর্বনাম
-
গ
অব্যয়
-
ঘ
ক্রিয়া
-
ক
কথ্য ভাষা
-
খ
চলিত ভাষা
-
গ
সাধু ভাষা
-
ঘ
আঞ্চলিক ভাষা
-
ক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
গ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
-
ঘ
প্রমথ চৌধুরী
-
ক
পাঁচ
-
খ
ছয়
-
গ
চার
-
ঘ
তিন
-
ক
চলতি
-
খ
সাধু রীতি
-
গ
মিশ্র রীতি
-
ঘ
আঞ্চলিক বীতি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন